বেরিলিয়াম vs ম্যাগনেসিয়াম
বেরিলিয়াম আর ম্যাগনেসিয়াম পর্যায় সারণির একই কলামে বসে আছে — একই পরিবার, এক পর্যায়ের ব্যবধানে — তাই ওদের মধ্যের প্রায় প্রতিটি পার্থক্যের মূলে একটাই কথা: ম্যাগনেসিয়াম-এর গায়ে বেঁধে থাকা সেই একটা বাড়তি ইলেকট্রন শেল।
পাশাপাশি
| ধর্ম | বেরিলিয়াম | ম্যাগনেসিয়াম |
|---|---|---|
| প্রতীক | Be | Mg |
| পারমাণবিক সংখ্যা (Z) | ৪ | ১২ |
| পারমাণবিক ভর | 9.0122 u | 24.305 u |
| শ্রেণি | মৃৎক্ষার ধাতু | মৃৎক্ষার ধাতু |
| গ্রুপ | ২ | ২ |
| পর্যায় | ২ | ৩ |
| কক্ষ তাপমাত্রায় অবস্থা | solid | solid |
| ইলেকট্রন বিন্যাস | [He] 2s^2 | [Ne] 3s^2 |
| যোজ্য ইলেকট্রন | ২ | ২ |
| পারমাণবিক ব্যাসার্ধ | 112 pm | 145 pm |
| তড়িৎ ঋণাত্মকতা | ১.৫৭ | ১.৩১ |
| প্রথম আয়নীকরণ শক্তি | 900 kJ/mol | 738 kJ/mol |
রায়
- বড় পরমাণু: ম্যাগনেসিয়াম — গ্রুপে যত নিচে, গায়ে তত বেশি শেল।
- ইলেকট্রনে লোভী: বেরিলিয়াম — বেশি তড়িৎ ঋণাত্মকতা মানে ভাগ করা ইলেকট্রনকে বেশি জোরে টানে।
- ভারী: ম্যাগনেসিয়াম — ওপরের টেবিলের পারমাণবিক ভর মিলিয়ে দেখো।
ব্যাসার্ধ, তড়িৎ ঋণাত্মকতা আর আয়নীকরণ শক্তির বার-চার্টসহ ছবির সংস্করণ চাই? এই জুটি আগেই বসানো অবস্থায় ইন্টারঅ্যাকটিভ তুলনা টুলটি খুলে দেখো।
