ডকুমেন্টেশন

মৌলের পাতা

১১৮টি মৌলের প্রতিটির জন্যই একটি করে বিস্তারিত পাতা।

এটা কী

১১৮টি মৌলের প্রতিটির জন্যই আছে তার নিজের গভীর পাতা। আইডেন্টিটি কার্ডে প্রতীক, পারমাণবিক সংখ্যা, ভর আর অবস্থান — আর ফ্যাক্টস স্ট্রিপে সেই সংখ্যাগুলো, যা বারবার দেখতে হয়। ইলেকট্রন বিন্যাসের সঙ্গে থাকে শেল বার, প্রতিটি শেলের ইলেকট্রন গুনে দেখায়। তারপর আসল গল্প: ইতিহাস, বৈশিষ্ট্য, ব্যবহার আর বাংলাদেশ-ঘেঁষা দৈনন্দিন উদাহরণ। শেষে ৬টি পরীক্ষা-ধাঁচের প্রশ্ন, সঙ্গে সম্পর্কিত মৌল ও গাইড। পাতা খুললেই মৌলটি সারণিতে টিক চিহ্ন পেয়ে যায় — তোমার অগ্রগতি নিজে নিজেই লেখা হতে থাকে।

পড়ায় কেন কাজে লাগে

এনসিটিবির অধ্যায় বলে মৌলদের নিয়ে সাধারণ কথা, আর পরীক্ষা জিজ্ঞেস করে নির্দিষ্ট মৌলের কথা। এই পাতাগুলো একবারে একটি মৌলকে সামনে বসিয়ে তার পুরো গল্প শোনায় — নাম এল কোথা থেকে, পরমাণু দেখতে কেমন, আজ বাংলাদেশের কোথায় তার দেখা পাও। ৬টি প্রশ্ন এনসিটিবির জিজ্ঞাসার ধাঁচে, তাই পাতাটাই একসঙ্গে অধ্যায় আর প্রশ্নব্যাংক। আর টিক চিহ্নগুলো গোটা সারণিকেই বানিয়ে দেয় তোমার নিজের অগ্রগতির মানচিত্র।

কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. হোমের সারণির যেকোনো টাইলে ট্যাপ করে মৌলটির পুরো পাতা খোলো।
  2. আইডেন্টিটি কার্ড আর ফ্যাক্টস স্ট্রিপ পড়ে মূল সংখ্যাগুলো জেনে নাও।
  3. ইলেকট্রন বিন্যাসে এসে শেল বারে প্রতিটি শেলের ইলেকট্রন গুনে দেখো।
  4. ইতিহাস, বৈশিষ্ট্য, ব্যবহার আর দৈনন্দিন উদাহরণ একে একে পড়ে ফেলো।
  5. চলে যাওয়ার আগে ৬টি পরীক্ষা-ধাঁচের প্রশ্নে নিজেকে যাচাই করো।

শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন

পুরো পাতাটা কি বাংলায় পাওয়া যায়?

হ্যাঁ — প্রশ্ন আর উদাহরণসহ প্রতিটি মৌলের পাতা দুই ভাষাতেই পুরো থাকে; হেডারের EN/বাং টগল এক ট্যাপেই বদলে দেয়।

মৌলের টিক চিহ্ন পেতে হলে কী করতে হয়?

শুধু পাতাটি খুললেই হলো — ঘরে যাওয়া নিজে নিজেই লেখা হয়ে যায়, আর টাইলে বসে যায় টিক চিহ্ন, যাতে দেখতে পাও কতটা এগোলে।