বিজ্ঞানীদের জীবনী
তোমার পড়া সারণির পেছনের দশজন মানুষ
এটা কী
পর্যায় সারণি আর পরমাণু-বিজ্ঞানের পেছনের দশজন মহান মানুষের জীবনী: রসায়নকে শৃঙ্খলায় বাঁধা লাভোয়াজিয়ে, পরমাণুকে নিয়ম শেখানো ডাল্টন, না-পাওয়া মৌলের জন্য সারণিতে ফাঁক রেখে যাওয়া মেন্ডেলিভ, কুরি দম্পতি, আর পরমাণুকে স্তরে স্তরে খুলে দেখানো রাদারফোর্ড, বোর, মোজলি ও চ্যাডউইক — রয়েছেন খুলনায় জন্ম নেওয়া বাংলার নিজের রসায়নবিদ প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ও। প্রতিটি জীবন লেখা কিশোর-কিশোরীদের জন্য মানুষের গল্প হয়ে, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই।
পড়ায় কেন কাজে লাগে
বইয়ের নামগুলো পড়তে লাগে সাইনবোর্ডের মতো — চ্যাপ্টা, আনুষ্ঠানিক, ভোলা কঠিন। অথচ শুরুতে মেন্ডেলিভের সারণিকে অনেকেই আমলা নেয়নি, কুরি দম্পতি কাজ করতেন চুয়ানো ঘরে — জানলে তাঁদের সংকেতগুলোও অন্যরকম লাগে। এই গল্পগুলো মুখস্থ করা আবিষ্কারের সঙ্গে জুড়ে দেয় মানুষ আর তাঁদের সংগ্রাম। আর প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের জীবন প্রমাণ করে, খুলনা থেকেও শুরু হতে পারে বিশ্বসেরা রসায়নবিদের পথ।
কীভাবে ব্যবহার করবে
- বিজ্ঞানীদের পাতাটি খোলো।
- একটি নাম বেছে নাও — শুরু করো মেন্ডেলিভ দিয়েই, সারণির স্থপতি।
- শৈশব থেকে আবিষ্কার পর্যন্ত গল্পটি পড়ে ফেলো।
- পরীক্ষায় যেসব তারিখ আর পরীক্ষার নাম জিজ্ঞেস করে, সেগুলো খেয়াল করে নাও।
- গল্পে নতুন কারও নাম এলে তাঁর পাতায় চলে যাও।
শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন
বাংলার সেই একজন বিজ্ঞানী কে?
খুলনায় জন্ম নেওয়া প্রফুল্ল চন্দ্র রায় — বাংলার নিজের রাসায়নিক শিল্প আর গবেষণার বিদ্যালয় গড়ে তোলা রসায়নবিদ। বাকি ন-জনের মতো তাঁর গল্পও থাকে বিজ্ঞানীদের পাতায়।
জীবনীগুলো কি ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাতেও আছে?
হ্যাঁ। প্রতিটি জীবনীই সম্পূর্ণ দ্বিভাষিক — ভাষার টগল বদলালেই একই পাতার একই গল্প চলতে থাকে অন্য ভাষায়।
