রূপা vs সোনা
রূপা আর সোনা পর্যায় সারণির একই কলামে বসে আছে — একই পরিবার, এক পর্যায়ের ব্যবধানে — তাই ওদের মধ্যের প্রায় প্রতিটি পার্থক্যের মূলে একটাই কথা: সোনা-এর গায়ে বেঁধে থাকা সেই একটা বাড়তি ইলেকট্রন শেল।
পাশাপাশি
| ধর্ম | রূপা | সোনা |
|---|---|---|
| প্রতীক | Ag | Au |
| পারমাণবিক সংখ্যা (Z) | ৪৭ | ৭৯ |
| পারমাণবিক ভর | 107.87 u | 196.97 u |
| শ্রেণি | স্থানান্তর ধাতু | স্থানান্তর ধাতু |
| গ্রুপ | ১১ | ১১ |
| পর্যায় | ৫ | ৬ |
| কক্ষ তাপমাত্রায় অবস্থা | solid | solid |
| ইলেকট্রন বিন্যাস | [Kr] 4d¹⁰ 5s¹ | [Xe] 4f¹⁴ 5d¹⁰ 6s¹ |
| যোজ্য ইলেকট্রন | ১ | ১ |
| পারমাণবিক ব্যাসার্ধ | 165 pm | 174 pm |
| তড়িৎ ঋণাত্মকতা | ১.৯৩ | ২.৫৪ |
| প্রথম আয়নীকরণ শক্তি | 731 kJ/mol | 890 kJ/mol |
রায়
- বড় পরমাণু: সোনা — গ্রুপে যত নিচে, গায়ে তত বেশি শেল।
- ইলেকট্রনে লোভী: সোনা — বেশি তড়িৎ ঋণাত্মকতা মানে ভাগ করা ইলেকট্রনকে বেশি জোরে টানে।
- ভারী: সোনা — ওপরের টেবিলের পারমাণবিক ভর মিলিয়ে দেখো।
ব্যাসার্ধ, তড়িৎ ঋণাত্মকতা আর আয়নীকরণ শক্তির বার-চার্টসহ ছবির সংস্করণ চাই? এই জুটি আগেই বসানো অবস্থায় ইন্টারঅ্যাকটিভ তুলনা টুলটি খুলে দেখো।
