পরমাণু ও গঠন

অরবিটাল ও উপশেল — Orbital & subshell

দ্রুত উত্তর

শেল ভাগ হয় উপশেলে (s, p, d, f), আর প্রতিটি উপশেলে থাকে অরবিটাল — ইলেকট্রন পাওয়ার সম্ভাবনার এলাকা।

সংজ্ঞা

প্রতিটি শেল কয়েকটি উপশেলে ভাগ থাকে — নাম s, p, d, f — যেখানে যথাক্রমে ২, ৬, ১০ ও ১৪টি ইলেকট্রন থাকতে পারে। উপশেল আবার গড়ে ওঠে অরবিটাল দিয়ে; একটি অরবিটালে বসে সর্বোচ্চ ২টি ইলেকট্রন: s-এ একটি গোলাকার অরবিটাল, p-তে তিনটি ডামবেল-আকৃতির, d-তে পাঁচটি, f-এ সাতটি। অরবিটালকে ভাবো ঝাপসা একখানা মেঘ, যেখানে ইলেকট্রন পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি — নির্দিষ্ট কোনো রেসিঙ্গ-ট্র্যাক নয়। এই উপশেলগুলোই বোঝায় পর্যায় সারণির s, p, d, f ব্লক কেন তৈরি হলো।

যেমন

কার্বনের ৬টি ইলেকট্রন সাজে 1s² 2s² 2p² করে — K শেলের s ভরা, L-এর s ভরা, আর বাকি দুটি বসে যায় L-এর p উপশেলে।

যেসব মৌলের সঙ্গে সম্পর্ক

সম্পর্কিত পদ