← সারণিতে ফিরে যাও
রসায়নের শব্দ, সহজ করে
রসায়ন শব্দকোষ
এনসিটিবি রসায়নের প্রতিটি অধ্যায় যে শব্দগুলোর ওপর দাঁড়িয়ে — আশিটি পদ, প্রতিটির সঙ্গে এক লাইনের দ্রুত উত্তর, পূর্ণ সংজ্ঞা আর বাস্তব উদাহরণ, বাংলা ও ইংরেজিতে।
পরমাণু ও গঠন
পরমাণুAtomপরমাণু হলো কোনো মৌলের ক্ষুদ্রতম কণা, যা ওই মৌলের রাসায়নিক পরিচয় বহন করে।প্রোটনProtonপ্রোটন হলো নিউক্লিয়াসের ধনাত্মক আধানযুক্ত কণা; এর সংখ্যাই পারমাণবিক সংখ্যা।নিউট্রনNeutronনিউট্রন হলো নিউক্লিয়াসের আধানহীন কণা; এটি ভর বাড়ায়, কিন্তু আধান দেয় না।ইলেকট্রনElectronইলেকট্রন হলো নিউক্লিয়াসের চারপাশে শেলে ঘোরা ক্ষুদ্র ঋণাত্মক আধানের কণা।পারমাণবিক সংখ্যাAtomic numberপারমাণবিক সংখ্যা হলো কোনো পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটনের সংখ্যা — মৌলের আসল পরিচয়।ভর সংখ্যাMass numberভর সংখ্যা হলো কোনো নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন মিলে মোট সংখ্যা — প্রতীক A।পারমাণবিক ভরAtomic massপারমাণবিক ভর হলো কোনো মৌলের পরমাণুগুলোর গড় ভর, যা ইউ (u) এককে প্রকাশ করা হয়।আইসোটোপIsotopeআইসোটোপ হলো একই মৌলের এমন পরমাণু, যাদের প্রোটন সমান কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন।আইসোবারIsobarআইসোবার হলো ভিন্ন মৌলের এমন পরমাণু, যাদের ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা সমান নয়।ইলেকট্রন শেলElectron shellইলেকট্রন শেল হলো নিউক্লিয়াসের চারপাশে ইলেকট্রনের থাকার শক্তিস্তর — নাম K, L, M, N এভাবে।অরবিটাল ও উপশেলOrbital & subshellশেল ভাগ হয় উপশেলে (s, p, d, f), আর প্রতিটি উপশেলে থাকে অরবিটাল — ইলেকট্রন পাওয়ার সম্ভাবনার এলাকা।ইলেকট্রন বিন্যাসElectron configurationইলেকট্রন বিন্যাস হলো কোনো পরমাণুর ইলেকট্রনগুলো শেল ও উপশেলে কীভাবে সাজে তার হিসাব।যোজ্য ইলেকট্রনValence electronযোজ্য ইলেকট্রন হলো সবচেয়ে বাইরের শেলের ইলেকট্রন — যারাই আসলে বন্ধন গড়ে।দ্বি-পরমাণবিক অণুDiatomic moleculeদ্বি-পরমাণবিক অণু হলো ঠিক দুটি পরমাণু মিলে গঠিত অণু — একই মৌল বা ভিন্ন মৌল হতে পারে।
পর্যায় সারণি
পর্যায় সারণিPeriodic tableপর্যায় সারণি হলো রসায়নের মানচিত্র — সব মৌল পারমাণবিক সংখ্যা অনুযায়ী পর্যায় ও গ্রুপে সাজানো।পর্যায়Periodপর্যায় হলো সারণির অনুভূমিক সারি; বাঁ থেকে ডানে গেলে ধাতু থেকে অধাতুতে মেজাজ বদলায়।গ্রুপGroupগ্রুপ হলো সারণির উল্লম্ব কলাম; এর সদস্যদের বাইরের ইলেকট্রন সংখ্যা ও পারিবারিক ধর্ম একই।ব্লকBlockব্লক হলো সারণির চারটি অঞ্চলের একটি — s, p, d, f — নাম নেওয়া হয়েছে যে উপশেলে শেষ ইলেকট্রন ঢোকে তার থেকে।ক্ষার ধাতুAlkali metalক্ষার ধাতু হলো গ্রুপ ১-এর নরম ধাতু (Li থেকে Fr), যাদের একটি যোজ্য ইলেকট্রন আর পানির প্রতি প্রবল ঝোঁক।মৃৎক্ষার ধাতুAlkaline earth metalমৃৎক্ষার ধাতু হলো গ্রুপ ২-এর মৌল (Be থেকে Ra), যাদের দুটি যোজ্য ইলেকট্রন; এরা +২ আয়ন গড়ে।স্থানান্তর ধাতুTransition metalস্থানান্তর ধাতু হলো গ্রুপ ৩–১২-এর d ব্লকের ধাতু — শক্ত, কাজের, রঙিন যৌগের আর বৈচিত্র্যময় যোজ্যতার ঝুড়ি।উপধাতুMetalloidউপধাতু হলো ধাতু আর অধাতুর সীমানায় দাঁড়ানো মৌল — পুরোপুরি কেউই নয়।হ্যালোজেনHalogenহ্যালোজেন হলো গ্রুপ ১৭-এর ক্রিয়াশীল অধাতুরা, যাদের শেল পূর্ণ করতে মাত্র একটি ইলেকট্রনই দরকার।নিষ্ক্রিয় গ্যাসNoble gasনিষ্ক্রিয় গ্যাস হলো গ্রুপ ১৮-এর মৌল, যাদের বাইরের শেল আগেই ভরা — তাই এরা কদাচিৎ বিক্রিয়া করে।ল্যান্থানাইডLanthanideল্যান্থানাইড হলো ল্যান্থানাম (Z ৫৭) থেকে লুটেশিয়াম (Z ৭১) পর্যন্ত ১৫টি বিরল-মৃত্তিকা ধাতু, আলাদা সারিতে দেখানো।অ্যাক্টিনাইডActinideঅ্যাক্টিনাইড হলো অ্যাক্টিনিয়াম (Z ৮৯) থেকে লরেন্সিয়াম (Z ১০৩) পর্যন্ত ১৫টি তেজস্ক্রিয় মৌল, যাদের 5f উপশেল ভরছে।পারমাণবিক ব্যাসার্ধAtomic radiusপারমাণবিক ব্যাসার্ধ হলো পরমাণুর আকারের মাপ — বন্ধনে আবদ্ধ দুটি অভিন্ন পরমাণুর নিউক্লিয়াস-দূরত্বের অর্ধেক।আয়নীকরণ শক্তিIonization energyআয়নীকরণ শক্তি হলো বায়বীয় অবস্থার কোনো পরমাণু থেকে বাইরের ইলেকট্রনটি ছাড়িয়ে আনতে যে শক্তি লাগে।তড়িৎ ঋণাত্মকতাElectronegativityবন্ধনের যৌথ ইলেকট্রন-জোড়াকে নিজের দিকে টানার ক্ষমতাই তড়িৎ ঋণাত্মকতা; ফ্লুরিনের মান সর্বোচ্চ ৩.৯৮।ধাতব ধর্মMetallic characterকোনো মৌলের পরমাণু কত সহজে ইলেকট্রন ছেড়ে ধনাত্মক আয়ন হয়ে ওঠে, সেই প্রবণতাই ধাতব ধর্ম; গ্রুপে নিচে বাড়ে, পর্যায়ে ডানে কমে।
বন্ধন ও আয়ন
রাসায়নিক বন্ধনChemical bondযৌগ বা কেলাসে পরমাণু কিংবা আয়নদের ধরে রাখা তড়িৎ আকর্ষণের নামই রাসায়নিক বন্ধন।আয়নিক বন্ধনIonic bondধাতু অধাতুকে ইলেকট্রন সম্পূর্ণ ছেড়ে দিলে বিপরীত আধানের দুটি আয়নের মধ্যে যে আকর্ষণ তৈরি হয়, সেটিই আয়নিক বন্ধন।সমযোজী বন্ধনCovalent bondদুটি অধাতব পরমাণু যখন এক বা একাধিক জোড়া ইলেকট্রন ভাগ করে নিয়ে জুড়ে থাকে, তখন তাকে বলে সমযোজী বন্ধন।ধাতব বন্ধনMetallic bondধনাত্মক ধাতব আয়নের জালিকা আর চারপাশে ভেসে বেড়ানো মুক্ত ইলেকট্রনের সমুদ্রের আকর্ষণই ধাতব বন্ধন।হাইড্রোজেন বন্ধনHydrogen bondO, N বা F-এর সঙ্গে যুক্ত হাইড্রোজেন পাশের পরমাণুর নিঃসঙ্গ ইলেকট্রন-জোড়াকে যেমন টানে, সেই দুর্বল আকর্ষণই হাইড্রোজেন বন্ধন।আয়নIonইলেকট্রন হারিয়ে বা পেয়ে যে পরমাণু বা অণু মোট আধান বহন করে, তাকেই আয়ন বলে।ক্যাটায়নCationপরমাণু বা অণু ইলেকট্রন ছাড়ার ফলে যে ধনাত্মক আধানের আয়ন তৈরি হয়, সেটিই ক্যাটায়ন।অ্যানায়নAnionপরমাণু বা অণু অতিরিক্ত ইলেকট্রন পেয়ে যে ঋণাত্মক আধানের আয়ন তৈরি করে, সেটিই অ্যানায়ন।অণুMoleculeদুই বা ততোধিক পরমাণু সমযোজী বন্ধনে জুড়ে যে ক্ষুদ্রতম একক তৈরি করে, সেটিই অণু।যোজনীValencyভরা বাইরের শেল তৈরি করতে পরমাণু যতগুলো ইলেকট্রন ছাড়ে, নেয় বা ভাগ করে, সেই সংখ্যাই তার যোজনী।জারণ অবস্থাOxidation stateধরে নাও বন্ধনের যৌথ ইলেকট্রন-জোড়া সবই বেশি তড়িৎ ঋণাত্মক সঙ্গী পেয়ে গেল — তখন পরমাণুটির যে আধান হত, সেটিই জারণ অবস্থা।মেরুকতাPolarityযৌথ ইলেকট্রন বন্ধন বা অণুর এক প্রান্তের দিকে বেশি সরে গেলে একটি ধনাত্মক আর একটি ঋণাত্মক মেরু তৈরি হয় — এটাই মেরুকতা।অষ্টক নিয়মOctet ruleবন্ধন তৈরির সময় পরমাণু এমনভাবে সাজে যেন বাইরের শেলে নিষ্ক্রিয় গ্যাসের মতো আটটি ইলেকট্রন থাকে — এটাই অষ্টক নিয়ম।
বিক্রিয়া
রাসায়নিক বিক্রিয়াChemical reactionরাসায়নিক বিক্রিয়ায় পুরোনো বন্ধন ভেঙে নতুন বন্ধন তৈরি হয়, আর পদার্থ বদলে গিয়ে নতুন পদার্থে পরিণত হয়।বিক্রিয়ক ও উৎপাদReactants & productsযেসব পদার্থ নিয়ে বিক্রিয়া শুরু হয় সেগুলো বিক্রিয়ক, আর বিক্রিয়ার শেষে যে নতুন পদার্থ পাওয়া যায় সেগুলো উৎপাদ।অনুঘটকCatalystঅনুঘটক এমন পদার্থ, যা বিক্রিয়ার গতি বাড়িয়ে দেয় কিন্তু বিক্রিয়া শেষে নিজে রাসায়নিকভাবে অপরিবর্তিত থেকে যায়।তাপোৎসর্মীExothermicতাপোৎসর্মী বিক্রিয়া চারপাশে তাপ ছেড়ে দেয়, ফলে যে পাত্রে হয় সেটি গরম হয়ে ওঠে।তাপাধিশোষীEndothermicতাপাধিশোষী বিক্রিয়া চারপাশ থেকে তাপ টেনে নেয়, ফলে বিক্রিয়া চলাকালে পাত্রটি ঠান্ডা লাগে।দহনCombustionজ্বালানির সঙ্গে অক্সিজেনের দ্রুত বিক্রিয়ায় তাপ ও আলো নির্গত হওয়াই দহন — সংক্ষেপে, পোড়ানো।ক্ষয় (মরিচা)Corrosionচারপাশের বাতাস, পানি বা রাসায়নিকের ছোঁয়ায় ধাতু ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাওয়াই ক্ষয় — লোহার মরিচা তার পরিচিত রূপ।প্রতিস্থাপন বিক্রিয়াDisplacement reactionবেশি সক্রিয় মৌল কোনো যৌগ থেকে কম সক্রিয় মৌলকে সরিয়ে তার জায়গা দখল করলে সেটি প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া।জারণOxidationজারণ হলো ইলেকট্রন ত্যাগ করা — প্রচলিত অর্থে, অক্সিজেন গ্রহণ বা হাইড্রোজেন ত্যাগ।বিজারণReductionবিজারণ হলো ইলেকট্রন গ্রহণ — প্রচলিত অর্থে, অক্সিজেন ত্যাগ বা হাইড্রোজেন গ্রহণ।জারণ-বিজারণ বিক্রিয়াRedox reactionযে বিক্রিয়ায় জারণ আর বিজারণ পাশাপাশি ঘটে — এক বিকারক থেকে আরেক বিকারকে ইলেকট্রন যায় — সেটিই রেডক্স বিক্রিয়া।সক্রিয়তা ধারাReactivity seriesধাতুগুলোকে সবচেয়ে সক্রিয় থেকে সবচেয়ে কম সক্রিয় ক্রমে সাজানোই সক্রিয়তা ধারা — ওপরে পটাশিয়াম, একদম নিচে সোনা।
অ্যাসিড, ক্ষারক ও লবণ
অ্যাসিডAcidপানিতে ভেঙে H⁺ আয়ন দেয় এমন পদার্থ; স্বাদ টক, নীল লিটমাস লাল করে, পিএইচ ৭-এর নিচে।ক্ষারকBaseপানিতে OH⁻ আয়ন দেয় বা H⁺ গ্রহণ করে এমন পদার্থ; পিচ্ছিল স্পর্শ, লাল লিটমাস নীল করে, পিএইচ ৭-এর বেশি।ক্ষারAlkaliপানিতে দ্রবণীয় ক্ষারক, যেমন NaOH, যা OH⁻ আয়ন দেয়; সব ক্ষারই ক্ষারক, কিন্তু সব ক্ষারক ক্ষার নয়।পিএইচ স্কেলpH scaleজলীয় দ্রবণের অ্যাসিডিতার ০–১৪ স্কেল: পিএইচ ৭ নিরপেক্ষ, নিচে অ্যাসিডীয়, ওপরে ক্ষারীয়; প্রতি ধাপে H⁺ দশ গুণ বদলায়।লবণSaltঅ্যাসিড ও ক্ষারকের প্রশমনে তৈরি আয়নিক যৌগ; খাবার লবণ NaCl এর সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ।প্রশমন বিক্রিয়াNeutralizationঅ্যাসিড + ক্ষারক → লবণ + পানি: অ্যাসিডের H⁺ আর ক্ষারকের OH⁻ মিলে একে অপরের ধর্ম নিষ্ক্রিয় করে দেয়।নির্দেশকIndicatorঅ্যাসিড ও ক্ষারকে ভিন্ন রং ধারণ করে এমন পদার্থ — লিটমাস, ফেনফথ্যালিন আর মিথাইল অরেঞ্জ হলো ক্লাসিক উদাহরণ।তড়িৎ বিশ্লেষণElectrolysisবিদ্যুৎ প্রবাহে তড়িৎ বিশ্লেষ্য ভেঙে যাওয়া; পানি ভেঙে ক্যাথোডে H₂ আর অ্যানোডে O₂ মেলে।
অবস্থা ও মিশ্রণ
পদার্থের অবস্থাStates of matterপদার্থের রূপ — কঠিন, তরল, বায়বীয় (সঙ্গে প্লাজমা); বরফ, পানি আর বাষ্প একই পদার্থের তিন অবস্থা।গলনাঙ্কMelting pointযে তাপমাত্রায় কঠিন তরল হয়; গলনাঙ্কে তাপমাত্রা স্থির থাকে — তাপ ক্রিস্টাল ভাঙতেই খরচ হয়।স্ফুটনাঙ্কBoiling pointযে তাপমাত্রায় তরল পুরোটা ফুটে ওঠে; সমুদ্রপৃষ্ঠে পানি ফুটে ১০০ °C-তে, উঁচু পাহাড়ে তার চেয়ে কমে।ঘনত্বDensityএকক আয়তনে আঁটানো ভর; প্রতিটি বিশুদ্ধ পদার্থের নিজস্ব ঘনত্ব থাকে, তাই এটি শনাক্তির কাজে লাগে।দ্রবণSolutionসমসত্ত্ব মিশ্রণ যেখানে দ্রব দ্রাবকে পুরোপুরি মিশে যায় — প্রতিটি ফোঁটা একই, কণা ছাঁকনিতে আলাদা হয় না।দ্রব ও দ্রাবকSolute and solventদ্রব মিশে যায়, দ্রাবক মেশায় — চিনির পানিতে দ্রব চিনি আর দ্রাবক পানি।মিশ্রণMixtureরাসায়নিক বন্ধন ছাড়া মেশানো দুটি বা বেশি পদার্থ; প্রত্যেকে নিজ ধর্ম রাখে, অনুপাত বদলায়, ভৌতভাবে আলাদা করা যায়।
কার্বন রসায়ন
মৌলElementকেবল এক ধরনের পরমাণু দিয়ে গঠিত বিশুদ্ধ পদার্থ; জানা আছে ১১৮টি, আর কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় মৌল আর ভাঙে না।যৌগCompoundদুই বা ততোধিক মৌল নির্দিষ্ট অনুপাতে রাসায়নিক বন্ধনে আবদ্ধ করে বানানো বিশুদ্ধ পদার্থ, যেমন H₂O বা NaCl।মিশ্র ধাতুAlloyধাতুর সঙ্গে অন্য মৌল মেশানো পদার্থ — ব্রাস (Cu+Zn), ব্রোঞ্জ (Cu+Sn), ইস্পাত (Fe+C) — শক্তি বা মরিচা-প্রতিরোধের জন্য।আকরিকOreযে প্রাকৃতিক শিলা বা খনিজ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু আহরণ করা যায়, যেমন লোহার আকরিক হেমাটাইট (Fe₂O₃)।অ্যালোট্রোপAllotropeএকই মৌলের ভিন্ন গঠনগত রূপ — কার্বনের হীরা, গ্রাফাইট ও ফুলারিন; অক্সিজেনের O₂ ও O₃।পরিবাহী ও অপরিবাহীConductor and insulatorপরিবাহী বিদ্যুৎ চলতে দেয় (ধাতু, গ্রাফাইট); অপরিবাহী আটকায় (রাবার, কাচ, শুকনো কাঠ), কারণ ইলেকট্রন নড়তে পারে না।ভৌত পরিবর্তনPhysical changeরূপের পরিবর্তন — অবস্থা, আকার, দ্রবণ — যাতে নতুন পদার্থ তৈরি হয় না; বরফ গললেও, চিনি মিশলেও রসায়ন একই থাকে।রাসায়নিক পরিবর্তনChemical changeবন্ধন ভেঙে নতুন পদার্থ তৈরি হয় — পোড়া, মরিচা, টকানো, পাকা; ভৌত পরিবর্তনের মতো সহজে উল্টানো যায় না।
