← সব টুল
স্টাডি টুল

যৌগ বিশ্লেষক

যেকোনো রাসায়নিক সংকেত লেখো — H2O, Ca(OH)2, CuSO4·5H2O — বা খাবার সোডার মতো প্রতিদিনের নাম। পেয়ে যাবে মোলার ভর, মৌল-ভাগ বিশ্লেষণ, আর যৌগটি চেনা হলে: বৈজ্ঞানিক ও স্থানীয় নাম, রাসায়নিক শ্রেণি, গলন-হিমাঙ্ক ও বাষ্প তাপমাত্রা, লেখা বিবরণ, এবং ল্যাবে তৈরির পদ্ধতি। যেসব সংকেত বাস্তবে নেই, সেগুলোও ধরা পড়ে ব্যাখ্যা পায়।

copper(II) sulfate pentahydrate“blue vitriol”নীল তুতা (ব্লু ভিট্রিয়ল)
যাচাইকৃত — অন্তর্নির্মিত ভাণ্ডারে আছে (১৯১ যৌগ)
CuSO4⋅5H2O\mathrm{CuSO_{4}\cdot 5H_{2}O}২৪৯.৬৭৭ g/mol
মৌলসংখ্যাভরঅংশ
Oঅক্সিজেন৯১৪৩.৯৯ g৫৭.৭%
Cuতামা১৬৩.৫৫ g২৫.৫%
Sসালফার১৩২.০৬ g১২.৮%
Hহাইড্রোজেন১০১০.০৮ g৪.০%
mol × ২৪৯.৬৮ g/mol = ২৪৯.৬৭৭ g

বিশ্লেষণ হালনাগাদ হয়েছে।

পরিচিতি: নীল তুতা (ব্লু ভিট্রিয়ল)

লবণহাইড্রেট
২৫ °C-এ অবস্থাকঠিন
গলনাঙ্কনেই — গলার আগেই ভেঙে যায়
স্ফুটনাঙ্ক (বাষ্প তাপমাত্রা)নেই — স্ফুটনের আগেই ভেঙে যায়
ঘনত্ব2.29 g/cm³
পানিতে দ্রবণীয়তাপানিতে দ্রবণীয়

নীল তুতা (ব্লু ভিট্রিয়ল) (CuSO4⋅5H2O\mathrm{CuSO_{4}\cdot 5H_{2}O}) — ইংরেজিতে copper(II) sulfate pentahydrate — পরিচিত নাম blue vitriol — একটি কঠিন লবণ and হাইড্রেট, যার মোলার ভর 249.677 গ্রাম/মোল।

এর সোজাসাপ্টা গলন-স্ফুটনের গল্প নেই: জোর তাপ দিলে গলার বা ফোটার আগেই ভেঙে যায়। বন্ধনটি মেরু-সমযোজী: Oxygen ও Copper-এর তড়িৎ-ঋণাত্মকতার পার্থক্য 1.54, তাই ভাগ করা ইলেকট্রন এক পরমাণুর দিকে ঝোঁকে।

ভর অনুযায়ী এতে 57.7% O, 25.5% Cu, 12.8% S এবং বাকি অংশ।

স্কুলের বেঞ্চের নীল স্ফটিক; চুনের সাথে মিশে ফসলের বোর্দো মিশ্রণ।

যেভাবে তৈরি করা যায়

CuO\mathrm{CuO}H2SO4\mathrm{H_{2}SO_{4}}CuSO4\mathrm{CuSO_{4}}H2O\mathrm{H_{2}O}
ঘরের তাপমাত্রায়

সমীকরণগুলো লেখানুযায়ী ভারসাম্যযুক্ত; শর্তগুলো পাঠ্যবইয়ের প্রচলিত শর্ত।

⚠ সাবধানে ব্যবহার করো:অপব্যবহারে ক্ষতিকরবিরক্তিকর

এগুলোর একটি চেষে দেখো

বিশ্লেষকটি কীভাবে কাজ করে

ধাপ ১ — পড়া: একটি নিয়মনিষ্ঠ পার্সার তোমার সংকেত ঠিক পাঠ্যবইয়ের মতো করে পড়ে। প্রতীকের ছাঁদ গুরুত্বপূর্ণ (CO মানে কার্বন মনো-অক্সাইড, Co মানে কোবাল্ট), বন্ধনীর ভেতরের সব গুণ হয়, হাইড্রেট বিন্দু স্ফটিক-জল যোগ করে, আর h2so4-এর মতো ছোট হাতের লেখা নিজেই ঠিক হয়ে যায়। মোলার ভর আসে এই সাইটের নিজস্ব পর্যায় সারণি থেকে — তাই দুটো কখনো দ্বিমত করতে পারে না।

ধাপ ২ — যাচাই: আয়ন-আধানের পাটিগণিত দেখে ক্যাশন-অ্যানায়ন মিলে নিরপেক্ষ যৌগ হয় কি না (তাই NaCl2 ধরা পড়ে NaCl-এ সংশোধন হয়), নিষ্ক্রিয় গ্যাসের নিয়মে অসম্ভব জুড়ি ধরা পড়ে, আর সংকেতটি 191-যৌগের অন্তর্নির্মিত ভাণ্ডারে খোঁজা হয়। ভাণ্ডারে না পেলে আরেকটি সুযোগ: তুমি অনলাইনে থাকলে PubChem-এর খোলা ডেটাবেসে জিজ্ঞেস করা হয় — এই আণবিক সংকেতের কোনো বাস্তব পদার্থ আছে কি না; না থাকলে সোজাসাপ্টা বলে দেওয়া হয়।

ধাপ ৩ — বর্ণনা: “পরিচিতি” কার্ডের বাক্যগুলো সাজানো হয় টেমপ্লেট কোড দিয়ে — নাম, তাপমাত্রা, দ্রবণীয়তা, আয়ন-পাঠ আর তড়িৎ-ঋণাত্মকতার পার্থক্য থেকে — তাই শিক্ষকের লেখার মতো শোনালেও প্রতিবার হুবহু একই থাকে। কোনো AI সেবা ডাকা হয় না; তুমি যা লেখো তা ব্রাউজার ছাড়ে না — শুধু ঐচ্ছিক PubChem সংকেত-যাচাই ছাড়া।