বন্ধন ও আয়ন

মেরুকতা — Polarity

দ্রুত উত্তর

যৌথ ইলেকট্রন বন্ধন বা অণুর এক প্রান্তের দিকে বেশি সরে গেলে একটি ধনাত্মক আর একটি ঋণাত্মক মেরু তৈরি হয় — এটাই মেরুকতা।

সংজ্ঞা

বন্ধনের যৌথ ইলেকট্রন এক পরমাণুর দিকে বেশি টানা পড়লে — সাধারণত তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্যে — তৈরি হয় মেরুকতা। ইলেকট্রন-ঘন প্রান্তটি হয় সামান্য ঋণাত্মক, আরেক প্রান্ত সামান্য ধনাত্মক — জন্ম নেয় একটি দ্বিমেরুর। পার্থক্য খুব বড় হলে বন্ধন প্রায় আয়নিক, আর শূন্য বা মামুলি হলে (যেমন O2\mathrm{O_{2}} বা N2\mathrm{N_{2}}) অমেরুই থাকে। পানি হলো চিরায়ত মেরু অণু: বাঁকা গঠনের জন্য দুটি O–H দ্বিমেরু কাটাকাটি হয়ে ফেলে না, তাই লবণ, চিনি বা গ্লুকোজের গুঁড়া পানিতে এত সহজে মিশে যায়।

যেমন

পানি মেরু আর তেল অমেরু বলেই সরিষার তেল তরকারির ওপর আলাদা বিন্দু হয়ে ভাসে; আর সাবান কাজ করে দুই মুখো হয়ে — মেরু মাথা পানি ধরে, অমেরু লেজ তেল-ময়লা ধরে।

যেসব মৌলের সঙ্গে সম্পর্ক

সম্পর্কিত পদ